
স্কুলের পাশাপাশি কুরআন পড়ে ৬ জন হাফেজ এবং ১,০০০+ শিক্ষার্থী বিশুদ্ধ কুরআন শিখেছে আমাদের থেকে।

স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি সহজ ও সুপরিকল্পিত নিজস্ব সিলেবাসে শীট ও বই ব্যবহার করা হয়।

কুরআনের পাশাপাশি হাদিস, মাসনুন দোয়া, নামাজ শিক্ষা ও নৈতিকতা একসাথে শেখানো হয় এখানে।

ড্রয়িং, গেম, গিফট ও প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিশুরা উৎসাহ নিয়ে আনন্দের সাথে পড়াশোনা করে।

প্রতিদিন মাত্র ১ ঘণ্টায় শুদ্ধ কুরআন, দোয়া, নামাজ শিক্ষা ও নৈতিকতা শেখানো হয় শিশুদের।

স্কুলের পড়াশোনার সাথে সহজ সমন্বয় থাকায় বাড়তি চাপ ছাড়াই দ্বীনি শিক্ষা অর্জন সম্ভব হয়।

আরামদায়ক, নিরাপদ ও শিক্ষার্থী বান্ধব পরিবেশে শিশুরা স্বাচ্ছন্দ্য ও আনন্দের সাথে শিখে।

শিশু বান্ধব, পেরেন্টিং ট্রেনিংপ্রাপ্ত, ধৈর্যশীল ও অভিজ্ঞ শিক্ষক দ্বারা পাঠদান করানো হয়।
অবশ্যই, কুরআন পড়ানোই মূল উদ্দেশ্য সেটা যেখান থেকে হোক। আপনার সন্তান ক্ষতির মুখে পরবে যদি কয়েকটি লক্ষ না রাখেন: টিচার কোয়ালিটি, টিচার ব্যাকগ্রাউন্ড, টিচারের বিহ্যাবিয়ার সম্পর্কে ধারনা রাখুন, আর পড়ার অগ্রগতির উপর নিয়মিত খোজ নিন।
আমাদের প্রতিষ্ঠানে দিলে আপনার এই সকল দায়িত্ব আমরা নিয়ে নিবো আপনি শুধু রেজাল্ট নিবেন।
ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার জন্য ২৩ ঘন্টা রেখে জীবনের চরম সত্য পরকালের জন্য মাত্র ১ ঘন্টা সময় কি বের করা সম্ভব নয়? মাত্র ১ ঘন্টা! ২৪ ঘন্টার মাঝে মাত্র ১ ঘন্টা সময় চাইলেই বের করা সম্ভব।
অবশ্যই পারবে। আমাদের বহু শিক্ষার্থী হিফজ শেষ করেছে, আবার অনেকে হিফজ অধ্যয়নরত আছে। নিয়মিত গাইডলাইন ও শিক্ষার্থীর স্বদেচ্ছা থাকলে অবশ্যই হাফেজ হওয়া সম্ভব।
কুরআন পড়ার জন্য আমাদের মোট ৩টি বিশেষ সিলেবাস রয়েছে বয়সের তফাতে। সিলেবাস ১। শিক্ষার্থী ৬ বছর বা তার নিচে হলে ৪ বছরে, সিলেবাস ২। ৬-৮ বছর হলে ৩ বছরে শেষ হবে, আর সিলেবাস ৩। ৯ বা তার চে বড় হলে মাত্র ২ বছরে শেষ করবে পুরো কুরআন।
৩ বছর। কুরআন দেখে পড়া শেষ করার পর মাত্র ৩ বছরে শিক্ষার্থীরা কুরআন মুখস্ত কমপ্লিট করে। তবে এটি নির্ভর করতে তার মেধা, উপস্থিতি, ডেডিকেশন, গুরুত্ব ও আন্তিরকতার উপর।





